মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
আবুল হাসনাত মিনহাজ: ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরের কোতোয়ালী থানাধীন লালদীঘির পাড় এলাকার জেলা পরিষদ ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।এসময় পুলিশে বাধা দিতে চাইলে আইনজীবীদের একপক্ষ আন্দোলনে যোগদেন এবং তাদের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা আদালত ভবনের দিকে যাত্রা করে। বুধবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টা পযন্ত চট্টগ্রাম আদালত চত্বরের সামনে অবস্থান করেন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী।বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতিতে হাজারও শিক্ষার্থী অবস্থান নেন। সেখানে সেনা সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
কোটা সংস্কারের পক্ষে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সমন্বয়কদের আদালত, ক্যাম্পাস ও রাজপথে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে বিক্ষোভে অংশ নেন হাজারেরও অধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।আইনজীবী ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। সেখানে বসে আমার ভাইকে ফেরত দে’, ‘ছাত্রদের ওপর গুলি কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, শিরোনামে স্লোগান দেন।‘ উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিতে থাকেন। এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন আইনজীবীরা।সরাসরি বিক্ষোভ অংশ নেয় ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে অবস্থান নেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী বলে দাবী করেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা।এসময় আওয়ামীপন্থী আইনজীবী ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল মিছিল নিয়ে আইনজীবী ভবনের দিকে আসলে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।আন্দোলনের বিপক্ষে মিছিল বের করার চেস্টা করলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আদালত ভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সাংবাদিকদের বলেন, ”আমরা কারও স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দিতে আসিনি। আদালত ভবনে দুইশ বছরের পুরনো অনেক নথি রয়েছে যা, সুরক্ষার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবে।”
পরে ৩ টার সময় নগরের কোতোয়ালী থানাধীন আদালত ভবনের সামনে থেকে আইনজীবীদের সহায়তায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যাত্রা করে নিউ মার্কেট মোড়ে এসে সমাপ্ত করেন আন্দোলন। কর্মসূচি চলাকালে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আ স ম মাহতাব উদ্দিন, কোতোয়ালী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) অতনু চক্রবর্তী, কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুল হক উপস্থিত ছিলেন। আন্দোলনের বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।